রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২২ অপরাহ্ন

হালুয়ারঘাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান পুড়ে ছাই, প্রায় ৩১ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি

হালুয়ারঘাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান পুড়ে ছাই, প্রায় ৩১ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি

আকরাম উদ্দিন:

সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের হালুয়ারঘাট বাজারে অগ্নিকা-ের ঘটনায় বাসাসহ ৮ টি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৩১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। রোববার রাত ২ টায় এ ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকা-ের ঘটনার খবর পেয়ে রাত ৩ টায় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সেখানে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহীদুল্লাহও উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিন শেষে রাতে দোকানঘর বন্ধ করে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান ব্যবসায়ীরা। রাত অনুমান ২ টায় তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। এসময় পাশের দোকানের ভেতরে আগুনে ফেটে যাওয়া গ্যাসের সিলিন্ডারের শব্দে ঘুমিয়ে থাকা ইব্রাহীম নামের একব্যক্তি জেগে উঠে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন দৌঁড়ে আসেন। নিমিষেই সারিবদ্ধ সকল দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন জানান, পুরো টিন সেড মার্কেটের মালিক মো. মনির মিয়া। টিন সেড মার্কেটে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মনির মিয়ার কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা ভাড়া নিয়েছিলেন দোকান ঘর। দোকানের ভাড়াটিয়া মালিক মো. সিরাজ মিয়ার পান-সুপারীর দোকানের প্রায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মো. মজিদ মিয়ার কাঁচামাল ও সুটকির দোকানের প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার, মুজিবুর রহমানের ভুষিমালের দোকানের সাড়ে ৭ লাখ টাকার, মো. ইব্রাহীম মিয়ার চায়ের স্টলের সাড়ে ৩ লাখ টাকার, আলী আজগর মিয়ার কাঁচা মালের দোকানের ৭০ হাজার টাকার, শুকুর আলী মিয়ার সেলুনের ২০ হাজার টাকার, বাকের মিয়ার পোলট্রি ফার্মের ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
হালুয়ারঘাট বাজারের পাশর্^বর্তী বাসিন্দারা রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। মো. এরন মিয়া, মো. নুর মিয়া, মো. জাফর মিয়া, মফিজ মিয়া, নিজাম মিয়া, মমিন মিয়া, আলী হোসেন, আলী নুর, আশর্^াদ আলী, ইসলাম উদ্দিন, মো. সোহেল মিয়া, শওকত আলী, মো. ইসমাইল, তামান্না আক্তার, আফসা বেগম, মনির মিয়াসহ আরও অনেকে অগ্নিকা-ের ঘটনা কিভাবে ঘটেছে তা বলতে পারেননি।
সোমবার বিকাল ৪ টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ।
ব্যবসায়ী মো. এরন মিয়া বলেন, ‘নিমিষেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সকল দোকানে। আগুন কিভাবে লেগেছে কেউ বলতে পারেন নি।’
সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহীদুল্লাহ বলেন,‘অগ্নিকা-ের ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ফায়ার সার্ভিস সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছি এবং সার্বিক নিরাপত্তাসহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। অনেক চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। সোমবার সকালেও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হয়েছে।’


আপনার এ্যাড দিন

ফটো গ্যালালি

Islamic Vedio

বিজ্ঞাপন ভিডিও এ্যাড




© All rights reserved © 2018 angina24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com