রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
মোঃ মাইনুদ্দীন::
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, পহেলা ফাল্গুন। বসন্তের ছোঁয়ায় বদলে গেছে প্রকৃতি। দেশের বৃহৎ শিমুল বাগানে এখন রক্তলালের উৎসব। পাহাড়ি নদী জাদুকাটার তীরে ক্ষণে ক্ষণে শোনা যায় কোকিলের কুহুতান, আজি বসন্তে বসন্তের দূত, গাহে আগমনী গান।
সবুজের ডালে ডালে রক্ত লালের নাচন, শতকোটি শিমুল ফুলের রাজত্বে, গাছের ডালে জোড়া সারস পাখির খুনসোটি, এ যেনো এক স্বপ্নপূর্তি স্বর্গরাজ্য।আজ বসন্তের প্রথম দিন। ভারতের খাসিয়া পাহাড় থেকে আসা বসন্তের বাতাস দোলা দিচ্ছে বাগানের প্রতিটি শিমুল গাছে। সেই হাওয়ায় ঝরে পড়ছে রক্তরাঙা লাল শিমুল ফুল। চারদিকে লাল আর সবুজের মায়াবী মেলবন্ধন।
পাহাড়ি নদী জাদুকাটার তীর জুড়ে এখন এমনই রাশি রাশি মুগ্ধতা। ফাগুনের প্রকৃতির এই আগুনের সূত্রপাত যেন তাহিরপুরের এই শিমুল বাগান থেকেই। রূপের সেই আগুন কুড়িয়েছে হাজারো সৌন্দর্যপিপাসুর মন।নির্বাচনী ব্যস্ততার পর প্রকৃতির এই রঙিন দৃশ্য যেন স্বস্তি এনে দিচ্ছে মানুষের মনে। বসন্তের প্রথম দিনে শিমুল বাগানের রক্তলাল সৌন্দর্য মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর তীরে মানিগাঁও গ্রামে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ ও সুন্দর শিমুল বাগান। প্রায় ১০০ বিঘা জমির উপর ৩,০০০-এর বেশি শিমুল গাছ নিয়ে ২০০২-২০০৩ সালের দিকে উপজেলার বাদাঘাট সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত জয়নাল আবেদীন পতিত জমিতে গড়ে তোলেন এই শিমুল বাগান।
ফাল্গুন মাসে পুরো বাগান রক্তিম শিমুল ফুলে লাল হয়ে ওঠে, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করেসময়ের সঙ্গে যা হয়ে উঠেছে বসন্তের অন্যতম আকর্ষণ। সময়ের স্রোতে একদিন বসন্ত ফুরাবে, তবে শিমুল বাগানের লাল শিমুল ফুলের টান রয়ে যাবে বছরজুড়ে।
